নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা। পবিত্র ঈদুল আজহা পেরিয়ে গেলেও কাটেনি ঘরমুখো মানুষের স্রোত। ঈদের পরদিনও রাজধানীর প্রধান রেলওয়ে স্টেশন কমলাপুরে দেখা গেছে বাড়ি ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, জামালপুর এবং উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি। ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেককে ট্রেনের ছাদে চড়েও ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা করতে দেখা গেছে।
আজ শুক্রবার (২৯ মে) সকাল থেকেই কমলাপুর স্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছিল যাত্রীদের দীর্ঘ সারি। ট্রেন প্ল্যাটফর্মে এসে থামার পরপরই বগিতে ওঠার জন্য শুরু হয় হুড়োহুড়ি। প্রতিটি বগিই যাত্রী বোঝাই হয়ে যাওয়ায়, নিরুপায় হয়ে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়ে বসেন।
ভোগান্তি ও কারণ প্রসঙ্গে যাত্রীরা জানান:
ঈদের আগে কাঙ্ক্ষিত টিকিট না পাওয়া এবং শেষ মুহূর্তের কর্মব্যস্ততার কারণে অনেকেই সময়মতো ঢাকা ছাড়তে পারেননি। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে তাই ঈদের পরদিনকেও বেছে নিয়েছেন তারা।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, আজ রুটভেদে যাত্রীচাপের ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে-উত্তর ও ময়মনসিংহমুখী রুট: এই রুটগুলোতে যাত্রীচাপ ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।পূর্বাঞ্চলগামী রুট (চট্টগ্রাম/সিলেট)এই অঞ্চলের ট্রেনগুলোতে তুলনামূলক কম ভিড় দেখা গেছে এবং ট্রেনগুলো প্রায় নির্ধারিত সময়েই স্টেশন ছেড়ে গেছে।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত যাত্রীচাপ সামাল দিতে স্বল্প দূরত্বের লোকাল ও মেইল ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তবে দূরপাল্লার কিছু আন্তঃনগর ট্রেনের সংখ্যা আজ কিছুটা কম ছিল। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে স্টেশন কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।


মন্তব্য